কিস্তিতে ফোন বিক্রি করতে কম্পিউটারের সামনে বসতে হয় না।
দোকানদার অ্যাপ থেকেই পুরো কাজ — গ্রাহকের নাম, ফোন নম্বর, এনআইডি, ঠিকানা, পেশা আর মাসিক আয়।
KYC-এর জন্য ছবি তোলার ব্যবস্থাও অ্যাপেই — গ্রাহকের ছবি, এনআইডির সামনে-পেছনে, সরাসরি ক্যামেরা দিয়ে তুলে জুড়ে দিন।
দুইজন পর্যন্ত জামিনদারের তথ্যও একই ফরমে রাখা যায়। পরে টাকা আটকে গেলে এই তথ্যগুলোই কাজে লাগে।
সব তথ্য সাথে সাথে সার্ভারে চলে যায়, তাই দোকানের কম্পিউটারেও দেখা যাবে।
কাস্টমারের বাসায় বসেও কিস্তির কাগজ সম্পূর্ণ করা যায়।


