সমিতির কাজ একজনের নয়। কেউ মাঠে আদায় করেন, কেউ অফিসে হিসাব মেলান, আর মালিক সবকিছুর উপর নজর রাখেন। সমিতি কিপার লাইটে প্রত্যেকে নিজের ফোনে নিজের নম্বর দিয়ে লগইন করেন — কিন্তু হিসাব থাকে একটাই, সাথে সাথে সবার কাছে।
তিনটি সাধারণ ভূমিকা
মালিক সব দেখেন ও সব করতে পারেন। ম্যানেজার বা হিসাবরক্ষক দৈনন্দিন এন্ট্রি, ভাউচার ও রিপোর্ট সামলান। আদায়কারী শুধু নিজের এলাকার আদায় করেন — তাঁর রিপোর্ট বা সেটিংসে ঢোকার দরকার নেই।
স্টাফ যোগ করার সময় ভূমিকা বেছে দিন, তারপর দরকারমতো বিস্তারিত পারমিশন ছেঁটে নিন। কাকে কতটুকু দেবেন তা নিয়ে আলাদা লেখা আছে — স্টাফ পারমিশন কাকে কতটুকু।
- মালিক — সব ক্ষমতা, সাবস্ক্রিপশন ও সেটিংসসহ
- ম্যানেজার / হিসাবরক্ষক — এন্ট্রি, ভাউচার, রিপোর্ট
- আদায়কারী — শুধু আদায় ও নিজের ওয়ালেট
- দরকারে আরও ভূমিকা বানিয়ে নিজের মতো অনুমতি দিন
একই হিসাব, আলাদা ফোন
আদায়কারী মাঠে বসে জমা এন্ট্রি করলেন — অফিসের ম্যানেজার সেটা তখনই দেখতে পান। দিন শেষে কে কত তুলল তা আলাদা করে জিজ্ঞেস করতে হয় না, আজকের মোট আদায় পর্দাতেই থাকে।
ভাষাও আলাদা হতে পারে। একজন মালিক বাংলায় কাজ করতে পারেন, তাঁর কালেক্টর ইংরেজিতে — কারণ ভাষা ঠিক হয় ডিভাইস ধরে, সমিতি ধরে নয়।
স্টাফ বদলালে
কেউ চাকরি ছাড়লে তাঁকে নিষ্ক্রিয় করে দিন আর ডিভাইস রিভোক করুন — তাঁর ফোন থেকে হিসাব আর খুলবে না। কিন্তু তিনি যে এন্ট্রিগুলো করেছিলেন সেগুলো থেকে যায়, কার্যক্রমের রেকর্ডসহ।
তাঁর ওয়ালেটে টাকা জমা থাকলে আগে হস্তান্তর সম্পূর্ণ করুন, তারপর নিষ্ক্রিয় করুন — নইলে হিসাবে একটা ঝুলে থাকা অঙ্ক পড়ে থাকবে।
যত জন দরকার তত জনই যোগ করুন — শুধু প্রত্যেকের নিজের নম্বর, নিজের পিন আর নিজের মাপের অনুমতি থাকতে হবে।


