জামানত বা সিকিউরিটি ডিপোজিট হলো ভাড়া চুক্তির শুরুতে ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে নিরাপত্তা হিসেবে নেওয়া একটি নির্দিষ্ট অঙ্ক। এটি মাসিক ভাড়ার অংশ নয়; বাসা ছাড়ার সময় অপরিশোধিত বিল বা ফ্ল্যাটের ক্ষতির খরচ বাদ দিয়ে বাকি টাকা ফেরত দেওয়া হয়।
উদাহরণ
একটি ফ্ল্যাটের মাসিক ভাড়া ২০,০০০ টাকা, আর দুই মাসের ভাড়ার সমান জামানত নেওয়া হলো: ২০,০০০ × ২ = ৪০,০০০ টাকা। বাসা ছাড়ার সময় দেখা গেল:
- বকেয়া বিদ্যুৎ বিল: ২,৫০০ টাকা
- ভাঙা দরজা মেরামত: ৪,০০০ টাকা
- মোট বাদ: ২,৫০০ + ৪,০০০ = ৬,৫০০ টাকা
- ফেরত দিতে হবে: ৪০,০০০ − ৬,৫০০ = ৩৩,৫০০ টাকা
বাড়িওয়ালার জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ
- ভাড়াটিয়া হঠাৎ চলে গেলে বা ক্ষতি করলে আর্থিক সুরক্ষা দেয়।
- কত নেওয়া হলো ও কী কারণে কত কাটা হলো তার লিখিত হিসাব থাকলে বিতর্ক এড়ানো যায়।
- বাসায় ওঠার সময় ফ্ল্যাটের অবস্থার ছবি রাখলে পরে ক্ষতি প্রমাণ করা সহজ হয়।
বাড়িওয়ালা ERP-তে ভাড়া চুক্তি তৈরির সময় জামানতের অঙ্ক রেকর্ড করা যায়, ফলে পরে সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়।
Questions people ask
জামানত সাধারণত কত নেওয়া হয়?
এর নির্দিষ্ট কোনো নিয়ম এখানে বলা হচ্ছে না; সাধারণত বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়া আলোচনা করে এক বা একাধিক মাসের ভাড়ার সমান অঙ্ক ঠিক করেন এবং চুক্তিতে লিখে রাখেন।
জামানত থেকে কি মাসিক ভাড়া কেটে নেওয়া যায়?
জামানত মূলত নিরাপত্তার জন্য। ভাড়ার সাথে সমন্বয় করতে চাইলে তা চুক্তিতে স্পষ্ট করে লিখে রাখা উচিত।


