সিলেট অঞ্চল পাহাড় জঙ্গল, টিলা, আবাদী অনাবাদী ভূমি হাওর-বাউর ভরা প্রকৃতির অপরূপ লীলাভূমি। এখানে আকাশ ভূ-পৃষ্ঠের সাথে মিশে চিওাকর্ষক বৈচিত্র্যময় প্রকৃতির অপরূপ রূপবৈচিত্র্য সৃষ্টি করেছে। এখানকার মানুষ সহজ সরল। তা’রা সহজ-সরল জীবন যাপন পছন্দ করে। কালের বিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চল্তে চল্তে এক সময় জীবনমানের উন্নত ধারা দারিদ্র্য নিপীড়নের চাপে একাংশের মানুষ অবহেলা অনাদরে পিছিয়ে পড়ে সুশিক্ষা ও অক্ষর – জ্ঞানে বঞ্চিত থেকে গেছে। এখানে অর্থরোজগারের টানে বাংলাদেশের নানা জেলার দারিদ্র্য পীড়িত মানুষ সপরিবারে জীবিকা অর্জনের উদ্দেশ্য নিয়ে আসে। আসে তা’দের কচি কচি সন্তানাদি। মা-বাবারা থাকে জীবিকা অর্জনে ব্যস্ত। কেউ বা রিক্সা চালায়, কেউ ঠেলা গাড়ী, কেউ নির্মাণ শ্রমিক। আবার কেউ বা কারখানা বা ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান কর্মচারী।মহিলারা গৃহকর্মী। সম্প্রতি তা’রা নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে। হোটেল রেস্টুরেন্ট্, চায়ের দোকান, কমিউনিটি সেন্টারেমসলা বাটার ও কাজ করছে। পুরুষেরা হোটেলের বা কমিউনিটি সেন্টারের বাবুর্চি। আবার কেহবা নৈশ প্রহরী, সিকিউরিটি গার্ড এর দায়িত্বে নিয়োজিত। এদের শিশু-পুত্র কন্যাদের দেখার কেউ নেই। যুবতী কন্যারা যত্রতত্র লাঞ্ছিত অবহেলিত, উদীয়মান টিন্- এজারারা বেকার থেকে দিন মান খেলাধূলা সামাজিক অপরাধ, ছিনতাই রাহাজানি, চুরি-ডাকাতি ইত্যাকার অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। খুন, হত্যা, গুম ইত্যাদি ক্রমশঃ বৃদ্ধি পাচ্ছে।বিপুল সংখ্যক তরুন তরুণী নেশায় আসক্ত। শিশুরা পথের কাটা হয়ে পথচারীর চলার পথে বাধার সৃষ্টি করছে। ঝগড়া-ঝাটি মারামারি, অশ্রাব্য ভাষায় গালা-গালি-এসব এদের নিত্য-দিনের সাথী। বেকারের সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। যুবকেরা কর্ম-বিমূখ হয়ে পড়ছে। তরুণ-তরুণীরা নৈতিক ভ্রষ্টাচারে লিপ্ত হচ্ছে। যৌন হয়রাণি নিত্য দিনের ঘটনা।
প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।
যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।
আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।
বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।
প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।
ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।
তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।
Helpline: 01403393868 , 01323150783 , 01305486661
Need software for this work?
Somity Keeper — সমিতি, সঞ্চয়, কিস্তি ও ক্ষুদ্রঋণ এক সফটওয়্যারে। Software Bazar-এর সমিতি ERP।