সমিতি কিপার লাইটে অনেকগুলো মডিউল আছে, কিন্তু সবগুলো সব সমিতির দরকার নেই। যেগুলো ব্যবহার করবেন না সেগুলো বন্ধ রাখলে অ্যাপের পর্দা অনেক পরিষ্কার হয় — আর কম ঘর মানে কম ভুল।

কেন সব চালু রাখা খারাপ

একজন আদায়কারী দিনে পঞ্চাশবার জমার পর্দা খোলেন। সেই পর্দায় যদি এফডিআর, শেয়ার আর লভ্যাংশের ঘরও থাকে, তাহলে কোনো একদিন ভুল ঘরে টাকা বসবে — এটা সময়ের ব্যাপার মাত্র।

তাছাড়া প্রশিক্ষণের সময় বাড়ে। নতুন স্টাফকে তিনটে জিনিস শেখানো সহজ, তেরোটা নয়।

কোন সমিতির কী লাগে

শুধু দৈনিক জমা তোলে এমন সমিতির জন্য সদস্য, সাধারণ সঞ্চয়, আদায় আর রিপোর্ট — এই চারটেই যথেষ্ট। ঋণ দিলে লোন মডিউল, মেয়াদি সঞ্চয় থাকলে ডিপিএস, অংশীদারি মূলধন থাকলে শেয়ার।

বন্ধ করা মানে মুছে ফেলা নয়। মডিউল বন্ধ থাকলে শুধু পর্দা থেকে লুকিয়ে যায়; পরে চালু করলে আগের হিসাব যেমন ছিল তেমনই ফেরে।

  • দৈনিক জমার সমিতি → সদস্য, সঞ্চয়, আদায়, রিপোর্ট
  • ঋণদানকারী সমিতি → উপরের সাথে লোন ও কিস্তি
  • মেয়াদি সঞ্চয় থাকলে → ডিপিএস, দরকারে এফডিআর
  • অংশীদারি মূলধন → শেয়ার ও লভ্যাংশ

কখন নতুন মডিউল চালু করবেন

যেদিন বাস্তবে সেই কাজটা শুরু করবেন, সেদিন। আগে চালু করে রাখলে খালি পর্দা পড়ে থাকে, আর স্টাফ অভ্যাসবশত ভুল জায়গায় ঢোকেন।

কোন মডিউলে কী কী আছে তা আগে দেখে নিতে চাইলে সব ফিচারের তালিকা একবার চোখ বুলিয়ে নিন — মডিউল ধরে সাজানো আছে।

অ্যাপ যতটা ছোট রাখবেন, স্টাফ ততটা কম ভুল করবেন। দরকার হলে পরে চালু করা এক ট্যাপের কাজ।