কিস্তিতে একটা ফোন বিক্রি করতে আগে কী কী করতে হতো?
কাস্টমারের নাম-ঠিকানা এক খাতায়, এনআইডির ফটোকপি ফাইলে, কিস্তির তারিখ আরেক খাতায়, জামিনদারের নম্বর কাগজের টুকরোয়। তিন মাস পরে কাস্টমার টাকা দেওয়া বন্ধ করলে দেখা যায় — জামিনদারের নম্বরটাই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
এভাবেই বেশিরভাগ দোকানের টাকা মার যায়। ফোনটা খারাপ ছিল না, কাস্টমারও পালিয়ে যায়নি — কাগজপত্রই ছিল না।
PhoneSell Pro-তে পুরো কাজটা একটাই ফরম। কাস্টমারের তথ্য, এনআইডি, ফোনের মডেল ও IMEI, বিক্রির দাম, ডাউনপেমেন্ট কত নিলেন, কয় মাসের কিস্তি আর লাভের হার কত — সব একসাথে। জামিনদারের নাম-নম্বরও একই ফরমে বসে যায়।
সেভ করার সাথে সাথেই কিস্তির পুরো তালিকা তৈরি — কোন তারিখে কত টাকা, সব আগে থেকেই লেখা। কাস্টমারকে প্রিন্ট করে দিলে পরে আর তর্ক হয় না।
তারপর ফোনটায় সুরক্ষা অ্যাপ বসিয়ে দিন — ডিভাইসটা তখন থেকেই আপনার নিয়ন্ত্রণে। কিস্তি বন্ধ হলে দোকানে বসেই ফোনটা লক করে দিতে পারবেন।
পাঁচ মিনিটের একটা কাজ, যেটা আপনার হাজার হাজার টাকা বাঁচায়।


