অনেক সমিতিতে শুরুর টাকাটা আসে পরিচালকদের নিজের পকেট থেকে। এই টাকা সদস্যের সঞ্চয় নয়, আর সমিতির আয়ও নয় — এটা মূলধন। আলাদা না রাখলে কে কত দিয়েছেন আর কে কত তুলেছেন তা বছর পরে মেলানো যায় না।
পরিচালকের নিজের খাতা
প্রতিটি পরিচালকের নামে আলাদা হিসাব থাকে — তিনি কত মূলধন জমা দিলেন, কত তুললেন আর এখন স্থিতি কত। অ্যাপে পরিচালকের তালিকা আর তাঁদের নিজের খাতা আলাদা করে রাখা যায়।
মূলধন জমা বা উত্তোলনের সময় স্লিপের ছবি সংযুক্ত করা যায় আর SMS পাঠানো যায় — তাই কোনো লেনদেন নিয়ে পরে প্রশ্ন ওঠে না।
- পরিচালকের তালিকা
- মূলধন জমা ও উত্তোলন
- স্লিপের ছবি ও SMS
- প্রত্যেকের নিজের খাতা
- ওয়েবপাতায় পরিচালনা পর্ষদ দেখানো
সদস্যের জমার সাথে মেশাবেন না
পরিচালকের মূলধন স্থিতিপত্রের মূলধনের দিকে বসে, সদস্যের সঞ্চয় দায়ের দিকে। দুটো এক ঘরে বসালে সমিতির নিজের শক্তি কত তা আর বোঝা যায় না।
আর লভ্যাংশের হিসাবেও এটা দরকার — মূলধন কার কত, তার ভিত্তিতেই বণ্টন হয়।
উত্তোলনের নিয়ম আগে ঠিক করুন
পরিচালক নিজের মূলধন তুলতে চাইলে কত দিনের নোটিশে, আর বছরে সর্বোচ্চ কত — এটা আগে লিখে রাখুন। একজন পরিচালক হঠাৎ বড় অঙ্ক তুলে নিলে সমিতির ভিত নড়ে যায়।
আর পরিচালকদের উত্তোলন সদস্যদের জানা উচিত। লুকিয়ে করলে সেটা যখন জানাজানি হয়, তখন আস্থার যে ক্ষতি হয় তা টাকার চেয়ে বড়।
পরিচালকের টাকা মূলধন, সদস্যের টাকা দায় — আলাদা রাখলে সমিতির আসল শক্তি সবসময় দেখা যায়।


