সমিতির সবচেয়ে বড় ঝুঁকি প্রায়ই সংখ্যায় লুকিয়ে থাকে না, বরং কেন্দ্রীভবনে। মোট ঋণ নিরাপদ মনে হতে পারে, কিন্তু তার অর্ধেক যদি পাঁচজনের কাছে থাকে, তাহলে সমিতির ভাগ্য ওই পাঁচজনের হাতে।
টপ ঋণগ্রহীতার তালিকা
সবচেয়ে বড় অঙ্কের ঋণ কাদের কাছে আছে তার তালিকা। দেখুন শীর্ষ পাঁচ বা দশজনের কাছে মোট ঋণের কত শতাংশ আটকে আছে।
এই শতাংশ বেশি হলে একজনের খেলাপি হওয়াই সমিতিকে বিপদে ফেলতে পারে। তখন নতুন বড় ঋণ না দিয়ে ছোট ছোট অনেকজনকে দেওয়াই নিরাপদ।
টপ আমানতকারীর তালিকা
উল্টো দিকের ঝুঁকি। সবচেয়ে বড় জমা কাদের নামে তা দেখুন। একজনের বড় এফডিআর হঠাৎ তুলে নিলে সমিতির হাতের টাকা শেষ হয়ে যেতে পারে।
এই সদস্যদের সাথে সম্পর্ক ভালো রাখুন, আর তাঁদের মেয়াদপূর্তির তারিখ আলাদা করে মনে রাখুন। নবায়নের কথা সবার আগে তাঁদের সাথেই বলুন।
- শীর্ষ ১০ ঋণগ্রহীতার কাছে মোট ঋণের শতাংশ
- শীর্ষ ১০ আমানতকারীর জমার শতাংশ
- দুটোর কোনোটাই এক-তৃতীয়াংশ ছাড়ানো ভালো নয়
- বড় আমানতের মেয়াদপূর্তির তারিখ আলাদা করে রাখুন
কেন্দ্রীভবন কমানোর পথ
ঋণের দিকে — একক ঋণের সর্বোচ্চ সীমা ঠিক করে দিন, মোট পোর্টফোলিওর শতাংশ হিসেবে। জমার দিকে — ছোট ছোট অনেক সদস্য আনুন, একজন বড় সদস্যের ভরসায় থাকবেন না।
দুটোই ধীর কাজ, কিন্তু এই দুটোই সমিতিকে এক ধাক্কায় ভেঙে পড়া থেকে বাঁচায়।
মোট সংখ্যা ঠিক থাকলেও কেন্দ্রীভবন বিপদ ডাকতে পারে। দুটো তালিকা তিন মাসে একবার দেখুন।


