ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) একটি স্বাধীন, দলীয় রাজনীতিমুক্ত এবং অলাভজনক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। বার্লিনভিত্তিক ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল এর বাংলাদেশ চ্যাপ্টার হিসেবে টিআইবি কাজ করছে। টিআইবি দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার চাহিদা সৃষ্টি এবং বাংলাদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ১৯৯৬ সাল থেকে একটি সামাজিক আন্দোলন হিসেবে যাত্রা শুরু করে। দুর্নীতি প্রতিরোধে আপামর জনগণের দাবি জোরদার করতে এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক ও নীতি পরিবর্তনে অনুঘটকের ভূমিকা পালনে সচেষ্ট রয়েছে টিআইবি। দুর্নীতিবিরোধী সামাজিক আন্দোলনে দেশের নাগরিকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের ৪৫টি এলাকায় টিআইবি’র অনুপ্রেরেণায় সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) Committee of Concerned Citizens-CCC)-র নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। ২০০৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে সনাক সিলেট এর কার্যক্রম শুরু হয়। দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিশ্ব আন্দোলনের প্রেক্ষিতে টিআইবি বার্লিনভিত্তিক ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই)-এর বাংলাদেশ চ্যাপ্টার হিসেবে স্বীকৃত এবং সে হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিম-লে টিআই-এর বিশ্বব্যাপী অন্যান্য চ্যাপ্টারগুলোর সাথে এক যোগে কাজ করে।
প্রাচীন যুগ থেকে মানুষ তথ্য / উপাত্ত লেখার জন্য / এবং সংরক্ষণ করার জন্য বিভিন্ন প্রকার কৌশল অবলম্বন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে মানুষ আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তি তথা ক্লাউড টেকনোলজিতে বিভিন্ন প্রকার তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান প্রদান করছে।
যার সর্বোৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে আপনার হাতের মোবাইল ফোন বা কম্পিউটারের স্ক্রিন, যেখানে আপনি আমার এই লেখাটি পড়ছেন। বিশ্বায়নের এই যুগে গ্লোবাল ভিলেজ ধারণাটি অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে বলা হয়ে থাকে আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুন না কেন আপনি যেন আপনার ঘরেই রয়েছেন। তবে বিশ্বায়নের এই ধারণার সাথে তাল মিলাতে গেলে আপনাকে প্রযুক্তিতে কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে হয়।
আর বর্তমানে প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ার জন্য পড়াশোনা ছাড়াই আমরা অটোমেটিকেলি কিছুটা হলেও দক্ষতা অর্জন করতে পেরেছি। যেমন আপনার হাতের মোবাইল ফোনটি আপনাকে প্রযুক্তির একেবারে কাছে টেনে নিয়ে এসেছে।
বর্তমানে মানুষ নথিপত্র লেখা, সম্পাদনায়,সংরক্ষণ এবং আদান প্রদানের জন্য ক্লাউডস টেকনোলজির দিকে ঝুঁকছে দিনকে দিন। যেমন আমি আমার মোবাইল ফোনে লেখাটি লিখেছি এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি, এখন এই মুহূর্তে হয়তবা অনেকেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমার এই লেখাটি পড়ছে। জাস্ট এই ধারণাটা দিয়েই আমরা ক্লাউডস টেকনোলজি সম্পর্কে বুঝতে পারি।
প্রযুক্তির দিক থেকে হিসেব করলে সমবায় সেক্টর একটি পিছিয়ে পড়া সেক্টর। কারণ এখানে প্রযুক্তির ব্যবহার তথা ক্লাউডস টেকনোলজির ব্যবহার ১০ শতাংশের কম। তবে আশার বিষয় হচ্ছে এই দশকে মানুষ পঙ্গপালের মতোই প্রযুক্তির দিকে ঝুঁকছে অথবা প্রযুক্তি মানুষের দিকে পঙ্গপালের মতন ঝুঁকছে। অর্থাৎ বিষয়টা এমন দাঁড়িয়েছে আপনি প্রযুক্তিকে ইগনোর করলে ও প্রযুক্তি আপনাকে এগনোর করতে দেবেনা।
ফিল্ড পর্যায়ে স্টাডি করতে গিয়ে দেখেছি একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এর ৯০% ই হচ্ছে হিসাব-নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ , রিপোর্ট প্রণয়ন এইসব কাজ। যেখানে প্রতিনিয়ত হিসেব-নিকেশ আপডেট না করার কারণে গরমিল লেগেই থাকে। অডিটের সময় অনেক সময় ব্যয় করে রিপোর্ট তৈরি করতে হয়।
তবে সহজেই এসকল বিষয়কে একত্রিত করতে পারে সমিতি কিপার সফটওয়্যার। যা ইতোধ্যেই সারাদেশে ব্যবহার হচ্ছে ব্যাপকভাবে।
Helpline: 01403393868 , 01323150783 , 01305486661
সোর্স: Somity Keeper — somitykeeper.com · মূল আর্টিকেল
Need software for this work?
Somity Keeper — সমিতি, সঞ্চয়, কিস্তি ও ক্ষুদ্রঋণ এক সফটওয়্যারে। Software Bazar-এর সমিতি ERP।
← All posts