সদস্য ভর্তির সময় যে তথ্যগুলো নেওয়া হয় না, পরে সেগুলোই সবচেয়ে বেশি দরকার পড়ে। সদস্য মারা গেলে টাকা কাকে দেবেন, খেলাপি হলে কোথায় খুঁজবেন, সার্টিফিকেট ছাপতে গেলে ছবি কোথায় পাবেন — সব এক জায়গায় গিয়ে ঠেকে।

যেগুলো ছাড়া ভর্তি করবেন না

নাম, মোবাইল নম্বর, পূর্ণ ঠিকানা, একটা ছবি, NID নম্বর আর নমিনির নাম-সম্পর্ক — এই ছয়টা ন্যূনতম। সদস্য নম্বর অ্যাপ নিজেই বসিয়ে দেয়, তাই ওটা নিয়ে ভাবতে হয় না।

মোবাইল নম্বরটা সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে — প্রতিটি লেনদেনের SMS ওখানেই যায়, আর সদস্য নিজের অ্যাপে লগইন করতে চাইলে এই নম্বর দিয়েই করবেন। তাই ভুল নম্বর বসানো মানে আস্থার দরজা বন্ধ করা।

  • পূর্ণ নাম ও পিতা/স্বামীর নাম
  • নিজের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর
  • ছবি ও NID নম্বর
  • নমিনির নাম ও সম্পর্ক
  • গ্রাম/এলাকা — আদায়ের তালিকা এর উপরেই দাঁড়ায়

এলাকা বা গ্রুপ শুরুতেই ঠিক করুন

এলাকা ভাগ না করে দুশো সদস্য ঢুকিয়ে ফেললে পরে আদায়কারীকে একটা লম্বা তালিকা থেকে খুঁজে নিতে হয়। এলাকা ধরে ভাগ থাকলে আদায়ের তালিকা ছোট হয়, আর কে কোন এলাকায় আদায় করবে তা পরিষ্কার থাকে।

পরে বদলানো যায়, কিন্তু শুরুতেই করে নিলে সময় বাঁচে।

ভর্তি ফি একসাথে আদায় করে নিন

ভর্তির সময়ই ভর্তি ফি বা অন্যান্য ফি আদায় করে ফেললে সেটা সরাসরি ক্যাশ বইতে জমা হয় — আলাদা করে পরে বসাতে হয় না, আর ভুলে যাওয়ার সুযোগও থাকে না।

কোন ফি কোথায় বসে তা নিয়ে বিস্তারিত পড়ুন ভর্তি ফি ও অন্যান্য ফি লেখায়।

ভর্তির পাঁচ মিনিট বাড়তি সময় দিলে পরের পাঁচ বছর খোঁজাখুঁজি বাঁচে।